বীর সন্ন্যাসী

নরেন্দ্রনাথ দত্ত জন্ম ১২ই জানুয়ারি ১৮৯৭। অত্যন্ত মেধাবী, সুপুরুষ তার এক বক্তৃতায় কেঁপে উঠেছিল চিকাগোর মাহা ধর্ম সম্মেলন। তার দৃঢ়তার সবচাইতে বড় উদাহরণ হল চিকাগোর মাহা ধর্ম সম্মেলনের আগে তাঁর সব প্রতিকুল পরিবেশকে সহাস্যে মেনে নেওয়া। স্বামীজীর মতে আমাদের জেরকম পাশ্চাত্য দেশে থেকে শেখার আছে ঠিক সেরকমই পাশ্চাত্যের ও আমাদের থেকে।

স্বামীজি একবার তাঁর ভ্রমন কালে কন্যাকুমারি তে এক নদী পারাপারের লক্ষ্যে একটি ছোট নৌকায় উঠেন সে নৌকার মাঝির মেয়ে কে দেখে স্বামীজি তাকে পুজো করেন মেয়ে আর কেউ নয় সামিয়া।

সে ভ্রমণ এবং রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম তার শরীরকে দূর্বল করে তোলে। যার দরুন তিনি অতি অল্প বয়সেই ঝরে পড়ে মৃত্যুকালে তার বয়স ছিলো মাত্র ৩৯।

আর আজ সে নিষ্ঠুর দিন খানি ৪ জুলাই১৯০২

জানা-অজানা

ঘরে বসে খাওয়ার আনবেন, সুউইগি জোমেটো তো আছেই।

ঘরে অতিথি এসছে ভাবনা কেন সুউইগি করুন।

সারাদিন পরিশ্রম করে ঘরে গিয়ে রান্না করতে পারবেন না জোমেটো আপনার জন্য সদা হাজির।

এখন বিশ্বায়নে সব জিনিস এতটাই সহজ হয়ে গেছে যে আমরা সবকিছুই কিছু পয়সার বদলে করিয়ে নিতে পারি।

কিন্তু এখন প্রশ্ন হল আমরা নিজেদের আরাম এবং নিজেদের মডার্ন বলে আখ্যায়িত করার লক্ষে যে অ্যাপ ডাউনলোড করি সেটাই ডেভেলপার অপশন টা কি একবারও দেখার প্রয়োজন বোধ করি?

আপনি কি জানেন সুউইগি এবং জোমেটোর মধ্যে চায়নার অংশীদারিত্ব আছে।

হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন।

যাই হোক মূল কথায় ফিরে আসা যাক,

আমরা যে অনলাইন খাওয়ার অর্ডার করি তার গুণগত মান কি?

 আমরা যা খাবার পাচ্ছি সেটা কি ফ্রেষ ?

সে ব্যাপারটা ভেবেছেন কখনো?

আপনি এসবের চক্করে নিজের দেহে কঠিন রোগ বাধাচ্ছেন না তো?

ভাবুন ভেবে কাজ করুন।

বৃষ্টি

বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর

 নদে এলো বান

শিব ঠাকুরের বিয়ে হল 

তিন কন্যা দান।

বৃষ্টি! বৃষ্টি মানেই নস্টালজিয়া, বৃষ্টির জল জমে থাকা জায়গায় কাগজের নৌকো বানিয়ে খেলা। বৃষ্টি মানেই মাঠে ফুটবল খেলা।

বৃষ্টি ছাড়া ছোটবেলাটা অনেকটা অসম্পূর্ণ।

কিন্তু এখন জীবনের রেট রেসে আমরা সেই ছোটবেলার বৃষ্টির অনুভূতিটুকু নিতে অনেক সময় ভুলে যাই।

ছোটবেলায় যখন বাবা-মা বলতো যে বৃষ্টি হলে ভাললাগেনা। রাগ হতো ভাবতাম তারা জিনিসটার মজাটাই বোঝেনা।

এখন বুঝতে পারি কেন তারা এই বৃষ্টি হলে বিরক্ত হত বকাবকি করত। কারণ ত্রিপুরাতে বৃষ্টি মানেই সে তার সৌন্দর্য টা হারিয়ে জল পড়িতে পরিণত হয়।

ত্রিপুরার ভৌগলিক চিত্রটি দেখলে বোঝা যায় যে তার চরিত্রটি একটি বাটির মতো, ঠিক যেমন একটি বাটিতে জল ঢাললে জলটা গিয়ে জমা হয় নিচের দিকে।

আগরতলা শহরে বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি জল জমে আই জি এম চৌমুনী, রামনগর, ফায়ার বিগেট, ওরিয়ান চমুনির সংলগ্ন এলাকায়। ত্রিপুরার ভৌগলিক চিত্ররের কারণে তা জমবেই। রাজ্যবাসী বর্ষাকালে জলমগ্নতার  পিরায় ভোগেন, তাদের মতে রাজ্যের ড্রেন এবং নালা গুলি যদি সময় সময় পরিষ্কার করা হয় তবে তা অন্তত পক্ষে তা বড় আকার ধারণ করা থেকে আটকানো যায়।

রাজ্য সরকারও এ দিশায় নিরন্তর কাজ করে চলছে, আশা করা যেতে পারে আগামী দিনে ত্রিপুরার যে বর্ষার চিত্র উঠে আসে বা আসছিল সেটার বদল হবে।

Human the most excellent creation of Nature

Human!Do we posses any quality to call ourselves the most excellent creation of Nature?

Why this question right,Let’s take a real life review of our life to get the answer.

We spend lots of money to fulfill our desire,but don’t posses the heart to help a person below our standard.we eat street food but don’t have the heart to give one plate or packet of food to the person who is going to everyone to ask food from them.we not only deny to give food moreover insult them by all abusives,and adjectives before their names.But we are human and we are proud of it.

Now let’s talk about something more serious.

Have you seen any animal killing his or her own child?

We have that quality also.Allmost every day one or two cases of adbandon child comes in spotlight.

If we can’t rear a child,do we have any authority or right to bring a child in this world.?

If it is an unwanted one there are many scientific contraceptives available in the market.But no we are much more concern about our status and respect that we find it more easy to abandon a innocent life or take the life of the child.

But we are proud to be human,what an Irony.

ডঃ বিধান চন্দ্র রায়

ডাক্তারদের সেবার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুরো ভারতে “নেশনাল ডক্টরস ডে”উদযাপন করা হয় ১লা জুলাই।এটা হচ্ছে একজন উৎকর্ষ ফিজিশিয়ান এবং ওয়েস্টবেঙ্গলের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায়ের জন্মদিন।

তাৎপর্যপূর্ণভাবে ডক্টর রায়ের জন্ম এবং মৃত্যু তারিখ একই ১লা জুলাই, (জন্ম-১৮৮২, মৃত্যু-১৯৬২) মৃত্যুকালে তার বয়স ছিলো ৮০ বছর। যেদিন তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন সেদিন সকালেও তিনি তার রোগী দেখেন।

বিধানচন্দ্র রায় ব্রাহ্ম সমাজের একটি একনিষ্ঠ অনুগামী ছিলেন।উনি সিভিল ডিস ওবিডিয়েন্স মুভমেন্টে নেতৃত্ব দেন এবং পরে কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে নিযুক্ত হন। ডক্টর রয় কে এখনো পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে সঠিক এবং ভালো মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসের বরিষ্ঠনেতা ও ছিলেন। ডক্টর রয় পশ্চিমবঙ্গ কে ডেভলপ সিটি হিসেবে পরিচিত করার লক্ষ্যে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। তিনি 15 বছর মুখ্যমন্ত্রীর দায়ভার সামলেছেন।

ডক্টর রায় ইন্টারমিডিয়েট ইন আর্টস সম্পন্ন করেছেন প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে।করেছেন ব্যাচেলর পাটনা থেকে ম্যাথমেটিক্স অনার্স সহ। এর আগে হাই স্কুল শেষ করেছেন পাটনার কলেজিয়েট স্কুলে ১৮৯৭ সালে।ঘটনাক্রমে আরেকজন স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজী কলকাতায় সে বছরই জন্মগ্রহণ করেন।ডাক্তার রায় তার কলেজ সম্পন্ন করার পর কলকাতায় মেডিকেল এবং ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে এপ্লাই করেন। দুটোতেই চান্স পান কিন্তু মেডিকেলে ভর্তি হন। এখনো উনি একজন মান্যগণ্য ডাক্তার হিসেবে পরিচিত এবং প্রতিবছর ১লা জুলাই তার নামে ” ডক্টরস ডে”পালন করা হয়।

ডক্টর রায় ইন্ডিয়ান মেডিকেল কাউন্সিল ১৯২৮ এবং মেডিকেল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা।ইন্ডিয়ান ইনস্টিউট অফ মেন্টাল হেলথ এর স্থাপনায় ও তার অবদান অনস্বীকার্য।

ডক্টর রয় এর আরো কিছু প্রতিষ্ঠান গুলি হল-যাদবপুর টি বি হসপিটাল, চিত্তরঞ্জন সেবা সদন, কমলা নেহেরু হসপিটাল, ভিক্টোরিয়া ইনস্টিটিউট, চিত্তরঞ্জন ক্যান্সার হসপিটাল।

একজন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে dr.roy রাজ্যের উন্নয়ন আইন-শৃঙ্খলা প্রণয়ন করেছেন। পাঁচটি শহরের উদ্বোধন এবং উন্নতি সাধনে তার অবদান অনেক সে শহর গুলি হল কল্যাণী, দুর্গাপুর, বিধান নগর, অশোকনগর, এবং হাবরা।

তার উদারতার বৃহত্তম অংশ ধরা পড়ে যখন তিনি তার বাড়ি দান করেন ১৯৬১ সালে। তিনি এক ট্রাস্ট তৈরি করেন সোশ্যাল সার্ভিস করার লক্ষ্যে। সে ট্রাস্টের প্রথম ট্রাস্টি ছিলেন গঙ্গা শরন সিং।

ভারত সরকার থেকে তাকে “ভারতরত্ন “এবং “ইন্ডিয়ান হাইয়েস্ট সিভিলিয়ান আওয়ার্ড”এ ভূষিত করা হয় ১৯৬১ সালে। পরে ডক্টর রায় কে “ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড” দেওয়া হয়১৯৯৬ সালে তার মেডিসিন পলিটিক্স, সাইন্স, ফিলোসোফি লিটারেচার এসব ব্যাপারে তার উৎকর্ষতা সম্মান জানিয়ে।

কোরনা আবহওয়ায় রথ

কোরোনা!পুর্ন গ্রহনের ন্যয় অনবরত গ্রাস করে চলেছে মানব জাতি কে। তার দরুন ভারতে দীর্ঘ সময় ধরে লকডাউন চলে।এখন আয়রা লকডাউনের চতুর্থ দফায় আছি।সে হিসেবে কিছু কিছু জায়গায় ছাড় ও পাওয়া গেছে।ছাড়ে্য মোধ্যে রয়েছে ধর্মিয় স্থান।

এ মাসেই রথ যাত্রা।আর ভারতের বৃহত্তম রথের সমাগম হয় পুরি তে। কিন্তু কোরোনার উর্ধ্বমুখী প্রবণতা কে সামনে রেখে একটি সেচ্ছাসেবী সংস্থা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে এবারের রথ উৎসব কে স্থগিত করার আর্জি জাণায়। মাহামান্য আদালত ও তাদের পক্ষেই আদেশ দেন। কিন্তু সোমবার অর্থাৎ গতকাল সুপ্রিম কোর্ট তার আদেশ থেকে সরে এসে পুরো দায়িত্ব রাজ্য হাইকোর্টের ওপর ছেড়ে দিয়ে বলে হাইকোর্টের যা স্থির করবে তাই হবে।

তৎখণাত রাজ্য হাইকোর্টের থেকে ণয়মিবলি বিমান হয় এবং তার অভিরুপ কাজ করতে রাজ্য সরকার কে আদেশ দেয়। রাজ্য সরকার তদ্রুপ মতণ্দীরের বেশ কয়েকজনের টেস্ট করে। তাদের মধ্যে একজন বাদে সবার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।আর পুঁথির মে তিনটি রথ আছে তথা জগন্নাথ,সুবোধরা এবং বললাম দেবের সে চিমটি রথ পাতার জণ্য পর

রতি রথ পিছু ৫০০ জন লোকের ব্যবস্থা করা হবে এবং তাদের ও টেস

ট করা হবে সবার নেগেটিভ এলে তারপর রথে টান পর্বে

জন মন এ সংবাদ সোনার পর উৎফুল্ল হয়ে ওঠে।আবার অনেক এয় জায়গায় মে রথে করেসয়ং ভগবান আসবে তার ভক্তদের কোরোনার প্রকোপ থেকে বাঁচাতে।

লক্ষ টাকার প্রশ্ন

বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক কি ভারতে মেনে নেওয়ার মতো সামাজিক স্বাচ্ছন্দ আছে?

সেই সম্পর্কটা কি নৈতিক?

চলুন দেখা যাক!

ধরুন একটি বিবাহিত পুরুষ কোন এক কর্মস্থলে একটি বিবাহিত মহিলার সাথে প্রণয় বন্ধনে আবদ্ধ, সে সম্পর্ক কি সমাজ মেনে নেওয়ার মতো জায়গায় আছে? উত্তরটা যদি না-বাচক হয় তবে  ভারতের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় যে ভার্ডিক্ট দিয়েছে তার যুক্তিকতা কি?

ভারতীয় সমাজ এখনো এতটা উন্নত হয়নি যে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক কে সুচোখে দেখবে।

এ রায় একদিক দিয়ে চিন্তা করলে অনেকটা উচ্চ চিন্তা ধারার প্রতিক কিন্তু ভারতে এরকম দৃষ্টিভঙ্গি আশা অনেক দূরস্ত।

এতবস্থায় বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কটা যদি গোপন রাখার চেষ্টা করা হয় তবে কি তা প্রতারণার শামিল অপরাধ নয়?

ঠিক এরকমই প্রশ্ন উঠে আসছে বিভিন্ন মহল থেকে।

তবে কি সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় ভুল, নাকি জনগণ তা মেনে নিতে পারছে না।

নেপোটিজম ও আপামর জনগণ


নেপোটিজম! কথাটি সুসাণ্থ সিং রাজপুত আত্মঘাতী হবার পর হঠাৎ স্পট লাইটে আসা একটি শব্দ। কি তাই মনে হচ্ছে না?
আমি আপনি সবাই নেপোটিজম নামক ক্যান্সারের স্বীকার,বা আমরা নিজেরাই করে থাকি।
চলুন আপনাদের আজ তা সরেজমিনে তা দেখিয়ে আনি।
আপনি ব্যাংকে কাজ করতে গেছেন সেখানে লাইনে কারোর সাথে দেখা সে পরিচিতি দিয়ে লাইনে পাঁচ জনের সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন সুধু মুখে একটা থেঙ্ক ইউ বলে।সেটা কি?আপনি কোন এক জায়গায় চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গিছেন সেখানে আপনার চাইতে কম দাক্ষতা সমর্পণ একজন ব্যেকতী ওই চাকরিটি পায় আপনি নন।সেটা কি? তাকে কি আখ্যা দেবেন?
আমাদের জীবনের প্রতিটি স্টেপে নেপোটিজমের ছায়া বিদ্যমান।
রাজনীতিতেও স্বজনপোষণের প্রথাটা খুব চলে।কিন্তু তবুও আমরা ভোট দিয়ে থাকি তাই না?
রিজার্ভেশন সিস্টেম এটা কি স্বজনপোষণ নয়?
স্বাধীনতার পর কনস্টিটিউশন এর ড্রাফটিং কমিটর চেয়ারম্যান বি আর আম্বেদকর রিজার্ভেশন সিস্টেম চালু করেছিল, 10 বছরের জন্য। কিন্তু এখনো কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড বা সত্যিই ব্যাকওয়ার্ড ক্লাস নির্ধারিত না করে সে প্রথমটা কে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য এখন পর্যন্ত বন্ধ করা হয়নি।যার দরুন অনেক প্রতিভা প্রস্ফুটিত হয়ার আগেই ঝোরে পরে।
সেটা কি স্বজনপোষণ নয়।
স্বজনপোষণ বা নেপোটিজম তাহলে কি শুধু বলিউডেই সীমাবদ্ধ না আমরাও……!

১৯৭৫ এর ইমারজেন্সি

কিভাবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দেশে একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন? কিসের জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ফারুক আব্দুল্লাহ আহমেদ দেশে একটা আভ্যন্তরীণ ইমারজেন্সি ডেকেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর পরামর্শে ২৫শে জুন১৯৭৫ রে? বা এ কাজটি রাতের আধারে কেন করা হলো?

আজ থেকে ৪৫ বছর আগে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ফারুক আহমেদ ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ঘোষণা করেছিল 26 শে জুন ১৯৭৫ যা চলেছিল 21 মাস পর্যন্ত। যার দরুন ইলেকশন পিছিয়ে গিয়েছিল এবং অনেক সামাজিক বাধা নিষেধের সম্মুখীন হয়েছিল ভারত।

গান্ধীর বিপক্ষের পার্টি গুলিকে তখন জেলে পোরা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যম কে অনেক খবর করা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। কিন্তু তৎকালীন গান্ধীবাদী নেতা সঞ্জয় গান্ধী খুল্লাম খুল্লা জনসমাগম এবং ইলেকশন ক্যাম্পিং করেছিলেন।

সেটা কি আকাঙ্ক্ষিত ছিল? তাহলে কি ইমার্জেন্সি টা শুধুমাত্র মুষ্টিমেয় লোকেদের লাভের জন্যে!

চলুন এবার দেখে নেওয়া যাক কেন ইমার্জেন্সি ঘোষণা করা হয়েছিলো?

১৯৭১রের বাংলাদেশ লিবারেশন যুদ্ধের পর ভারতের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক অবস্থার অবনতি ঘটে।সহযোগিতা পাওয়া যেত সেটাও বন্ধ হয়ে যায়। তার মধ্যে আরও বড় ধাক্কা খায় ৭২-৭৩র বর্ষার চপলতায়। এরমধ্যে আবার সাধারণ মানুষের বেতন আটকে দেওয়া হয়, যা মানুষকে খবানিত করে তোলে।

জানুয়ারি ১৯৭৪ গুজরাটে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার কারণে ছাত্র সংগঠন থেকে আওয়াজ তোলা শুরু করে অবস্থা বেগতিক হওয়ায় গুজরাটে স্টেট ইমারজেন্সি ঘোষণা করা হয়। তারপর থেকে গুজরাটে আবার ইলেকশন হওয়ার দাবি উঠতে থাকে ১৯৭৫ রে পুনরায় ইলেকশন হলে কংগ্রেস হেরে যায়।

এবার এ বিরোধ শুরু হয় বিহারে সেখানের ছাত্র ছাত্র সংগঠন তৎকালীন সমাজ সেবী এবং সমাজসুধিরক জে পি নারায়ন জয়প্রকাশ নারায়ণ কে আমন্ত্রণ জানায় তাদের এই আন্দোলনে সামিল হতে। নারায়ণের সে আমন্ত্রণ গ্রহণ আন্দোলনকে নেশনাল লেভেলে ত্বরান্বিত করে।

১৯৭৫ সালে নারায়ন একটি বড় রেলি সংঘটিত করে দিল্লির রামলীলা ময়দানে সেখানে তিনি সত্যাগ্রহে অংশগ্রহণ করেন এবং ইন্দিরা গান্ধীর পদত্যাগ দাবি করেন। তৎকালীন গভমেন্ট তা দেখে মনে করে যে সেটা গভমেন্ট কর্মকাণ্ডে বাধাপ্রাপ্ত করবে। এবং রেল কর্তৃপক্ষ একটি স্ট্রাইক এর ডাক দেয়।

ইতিমধ্যে ১৯৭১রে রায়বেরেলি কনস্টিটিউন্সি তে ইন্দিরা গান্ধী প্রতিদ্বন্দ্বী রাজ নারায়ণ কে পরাজিত করেন, নারায়ণ হাইকোর্টে ইন্দিরা গান্ধীর বিরুদ্ধে কেস ঠোকেন lমে ইন্দিরা গান্ধী ইলেকশনের মেল প্র্যাকটিস করেছেন।

সেকেস এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭৫ সালে বিচারপতি জগমোহন সিনহা জানান যে ইন্দিরা গান্ধী তার ভোট প্রচারে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করেছেন যার দরুন ইন্দিরা গান্ধীর ইলেকশন কে নাল অ্যান্ড ভয়েড ঘোষণা করা হয়। এবং গান্ধীর পরবর্তী ছয় বছরের জন্য ইলেকশন ধরাতে রধ লাগানো হয়।

আর কংগ্রেস পার্টি কে বলা হয় পরবর্তী কুড়ি দিনের মধ্যে তাদের পরবর্তী প্রাইমিনিস্টার কে হবে তা নির্ধারণ করতে।

ইন্দিরা গান্ধী তখন একে নিয়ে যায় সুপ্রিম কোর্টে। সুপ্রিম কোর্ট থেকে জানায় যে তিনি যতদিন অব্দি না কেসের রায় বেরোয় ততদিন অব্দি তিনি একজন এমপি হিসেবে থাকতে পারবেন কিন্তু লোকসভায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

25 শে জুনের স্পৃতে গভমেন্ট সে রাতেই স্টেট ইমারজেন্সি ঘোষণা করে।

গভমেন্টের বিবৃতি অনুযায়ী আভ্যন্তরীণ বিবাদের কথাটি সামনে রেখে এই ডিসিশনটা নেওয়া খুব জরুরী বলে জানানো হয়। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ফারুক আব্দুল্লাহ 25 শে জুন ১৯৭৫ ডিক্লেয়ার করেন ইন্টারনাল ইমারজেন্সি গান্ধীর পরামর্শ অনুযায়ী বারোটা বাজার ঠিক কিছুক্ষণ আগে ‌

মধ্যরাতে অনেক বড় বড় পত্রিকা অফিসের কারেন্ট চলে যায় আসে প্রায় দু-তিন দিন পর।

২৬,সে জুন একটি বড় সংখ্যক বিরোধী দল নেতাদের অ্যারেস্ট করা হয়। ইউনিয়ন ক্যাবিনেট একটি স্পেশাল মিটিং এর দ্বারা সকাল ছটা নাগাদ ন্যাশনাল ইমার্জেন্সির প্রস্তাবনা পাশ করে তার আগেই সব হয়ে যায়।

তো এবার প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে যে সেটা কি ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ছিল নাকি গান্ধীয়ান ইমারজেন্সি …..